ব্রেকিং

জাবির ভর্তি পরীক্ষায় কমতে পারে আবেদন যোগ্যতা

ক্যাম্পাস-২৪ স্টাফ

২ মিনিটে পড়ুন৪৮

জাবির ভর্তি পরীক্ষায় কমতে পারে আবেদন যোগ্যতা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় । Campus 24

চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিগত বছরগুলোর তুলনায় খারাপ হওয়ায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের ন্যূনতম যোগ্যতা কিছুটা কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ বিষয়ে ভর্তি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কমিটি, অনুষদের ডিন ও ইনস্টিটিউটের পরিচালকদের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মো. শামছুল আলম বলেন, “এ বছর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিগত বছরগুলোর তুলনায় খারাপ হয়েছে। পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ার হারও কমেছে। সেক্ষেত্রে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের যোগ্যতার ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিল করা যেতে পারে। তবে ভর্তি পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কমিটি, অনুষদের ডিন ও ইনস্টিটিউটের পরিচালকদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

আরও পড়ুন: ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের যোগ্যতা কমাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

তিনি আরও বলেন, “ভর্তি পরীক্ষা কমিটির জরুরি আলোচনা সভা ডাকা হয়েছে। আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে জানানো হবে।”

এদিকে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১০ জানুয়ারি শুরু হয়ে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। এ বছর ভর্তি প্রক্রিয়ায় এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জিপিএর ওপর বরাদ্দ নম্বর ২০ থেকে কমিয়ে ১০ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এমসিকিউ পরীক্ষার নম্বর বণ্টনেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

গত ২৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার সৈয়দ মোহাম্মদ আলী রেজা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, কেন্দ্রীয় ভর্তি পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১০ থেকে ২১ জানুয়ারির মধ্যে শুক্রবার ও শনিবার ছাড়া অন্যান্য দিনে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর ভর্তি পরীক্ষার ইউনিট বিন্যাস গতবারের মতোই থাকছে। তবে আইন ও বিচার বিভাগ এবার সমাজবিজ্ঞান অনুষদের অধীনে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবে।

নতুন নম্বর বণ্টন অনুযায়ী, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জিপিএর ওপর ১০ নম্বর এবং এমসিকিউ পরীক্ষায় ৯০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। এমসিকিউ অংশে ৮০টি প্রশ্ন থাকলেও প্রতিটি প্রশ্নের মান হবে ১ দশমিক ১২৫। আগে প্রতিটি প্রশ্নের মান ছিল ১ নম্বর। সব মিলিয়ে ১০০ নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে।

আরও পড়ুন